আ’লীগের দু:সময়ের কান্ডারী শাহে আলম মুরাদ

   November 28, 2019

মোবারক হোসেন, দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা:  ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের শীর্ষ পদে আসতে শেষ মুহূর্তে দৌড়ঝাঁপ করছেন এক ডজন প্রার্থী। নতুন নেতৃত্ব নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদে কারা আসছেন তা নিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে কৌতূহল বাড়ছে। পদপ্রত্যাশীরা গণভবন ও কেন্দ্রের শীর্ষ নেতাদের বাসাবাড়িতে যাওয়া-আসা বাড়িয়ে দিয়েছেন।

কর্মী-সমর্থক নিয়ে তারা ধানমন্ডি আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয় ও বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শোডাউন করছেন। পোস্টার, ফেস্টুন টানিয়েছেন রাজধানী জুড়েই। নিজেদের যোগ্য প্রমাণে ব্যস্ত সময় পার করছেন যে যার মতো। ৩০ নভেম্বর বেলা ১১টায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন বিকালে দ্বিতীয় অধিবেশনেই নতুন নেতৃত্ব বেছে নেওয়া হবে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের শীর্ষ পদে আলোচনায় রয়েছেন মহানগরের উপদেষ্টা ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাড. কামরুল ইসলাম, মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, সহ-সভাপতি আবুল বাশার, ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র সাঈদ খোকন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. দিলিপ রায়, প্রচার সম্পাদক ও ঢাকা দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন, সাবেক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল আজিজের ছেলে মহানগর দক্ষিণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ওমর বিন আব্দুল আজিজ তামিম।

এছাড়াও থানা নেতাদের মধ্যে আলোচনায় আছেন ওয়ারী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি চৌধুরী আশিকুর রহমান লাভলু, সূত্রাপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গাজী আবু সাঈদ। গতবার লালবাগ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি থেকে সরাসরি মহানগর সভাপতি হয়েছিলেন আবুল হাসনাত।

আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, শাহে আলম মুরাদ দলের দু:সময়ে কান্ডারী। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আ’লীগকে একত্রিত করার ক্ষেত্রে তার বিশাল ভূমিকা রয়েছে। পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে নেতা-কর্মীদের মধ্যে তার একটা গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। বিগত সময়ে চারদলীয় জোট সরকারবিরোধী আন্দোলনে তার ভূমিকা প্রশংসনীয় ছিল বলে নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন।

সূত্র মতে, ২০১২ সালের ২৭ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলেও দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। উত্তরে সভাপতি হিসেবে একে এম রহমত উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক হন সাদেক খান, দক্ষিণে সভাপতি হিসেবে হাজী আবুল হাসনাত, সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হন অবিভক্ত মহানগর এর সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ। তবে উত্তর ও দক্ষিণের থানা, ওয়ার্ড, ইউনিট কমিটি নিয়েও বিতর্কের শেষ ছিল না। উত্তরের কমিটি ঘোষণা করার পরেও বিতর্কিত হয়ে সভানেত্রীর হস্তক্ষেপে স্থগিত হয়ে যায়। বিচক্ষণ নেতৃত্বে দক্ষিণের অধিকাংশ থানা, ওয়ার্ড, ইউনিট কমিটি আলোর মুখ দেখে। সাংগঠনিক প্রতিটি কর্মসূিচ পালিত হয়েছে সফলতার সঙ্গে। এটা সর্বজনস্বীকৃত যে, প্রধানমন্ত্রী যখন ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে কারাগারে বন্দী ছিলেন তখন নেত্রীর মুক্তি আন্দোলনে অগ্রনায়ক ছিলেন বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ।

নেত্রী মুক্তি আন্দোলনে প্রথম প্রতিবাদ এবং প্রতিরোধ করে গ্রেফতারও হন তিনি। তবুও পিছ পা হননি, হারাননি মনোবল। দেশব্যাপী গণস্বাক্ষর কার্যক্রমেও রেকর্ড সৃষ্টি করেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি শতভাগ আস্থাশীল নেতৃত্ব, কর্মীবান্ধব গুণাগুণের অধিকারী এই নেতার নেতৃত্বে একটি দক্ষ সাংগঠনিক ইউনিটে পরিণত হয়েছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ। তাকে বারবার ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয়েছে রাজনৈতিক অপশক্তির কাছে। কিন্তু তাতেও তাকে দমিয়ে রাখা যায়নি। অতীতের ন্যায় বর্তমানেও ষড়যন্ত্র চলছে তারপরও নেতা-কর্মীরা আশাবাদী প্রিয় নেতার পুনরায় নেতৃত্বে ফিরে আসার বিষয়ে।
২০২১ সালের মধ্যে দেশকে একটি উন্নত রাস্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।

তাই ঢেলে সাজাতে চায় আওয়ামী লীগকে। এই সম্মেলনে নতুন নেতৃত্ব ও চমকের আভাস রয়েছে। ২০তম জাতীয় সম্মেলনে ঠাঁই পেয়েছিল তরুণ, স্বচ্ছ ও মেধাবী নেতৃত্ব, দল ফিরে পেয়েছে গতিশীলতা। ২১তম জাতীয় সম্মেলন দলটির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, সারাদেশবাসী উদ্বেগ আর উৎকন্ঠা নিয়ে তাকিয়ে রয়েছে এই সম্মেলনের দিকে। সম্মেলন মানে পরিবর্তন ও নতুন মুখের আগমন। বর্তমানে শুদ্ধি অভিযানের মাধ্যমে দলে ত্যাগী ও অবহেলিতরা নেতৃত্বে আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তাই তো এবারের সম্মেলন চমকে ভরপুর। বিতর্কিতরা এবার কমিটি হতে ছিটকে পড়ার সম্ভাবনাই বেশি। পরিবর্তন আসতে পারে নগরের দুই কমিটিতেও।

উত্তরে শীর্ষ দুটি পদেই পরিবর্তনের আভাস থাকলেও দক্ষিণে পুনরায় পদায়নের সম্ভাবনা রয়েছে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহে আলম মুরাদের। ৩০ নভেম্বর ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সম্মেলন। প্রধানমন্ত্রী মমতাময়ী মা দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার পছন্দের প্রার্থী হিসেবে কে আছেন বিবেচনায়? এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আমাদের প্রতিনিধি হাজির হয় তৎকালীন সিনিয়র ও সাবেক বর্তমান নেতৃবৃন্দের কাছে। কে আসছেন আগামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে?

এমন প্রশ্নের উত্তরে আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বে থাকা একাধিক নেতা বলেন। ঢাকা মহানগরে এক সময় রাজপথে আন্দোলন করার কর্মী পাওয়া কঠিন ছিলো। আমরা নিজেরা শ্লোগান দিয়েছি, আবার ব্যানার ধরেছি, মিছিল করেছি, রাতের অন্ধকারে পোষ্টার লাগিয়েছি। আমাদের সংখ্যা ছিলো মাত্র কয়েক জন। তখন শাহ আলম মুরাদ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এর ছাত্রনেতা। সে ছিলো মেধাবী, শিক্ষিত, সমাজসেবক, সাহসী ও বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদও লাভ করেন তিনি। ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে থাকাকালিন আওয়ামী লীগের সকল নেতৃত্বে কঠিন ভূমিকায় তিনি তার লোকজন নিয়ে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে উপস্থিত থাকতেন।

সিনিয়র নেতৃবৃন্দ যা বলতেন তিনি নিজের জীবন বাজি রেখে দলবলসহ ঝাঁপিয়ে পড়তেন রাজপথে। তার সফল নেতৃত্বের গুণাবলীর কারণে প্রধানমন্ত্রী সন্তুষ্ট হয়ে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে শাহে আলম মুরাদকে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করেন।

শাহে আলম মুরাদ ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে থাকার সময় মহানগর উত্তর দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এর সকল থানা ওয়ার্ড পর্যায়ে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। গুলিস্তান ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ দলীয় অফিসের সামনে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার সময়, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী মায়া ও শাহ আলম মুরাদসহ তাদের অনুসারীরা মানবঢাল তৈরী করে নেত্রীর জীবন রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন।

বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের পাতানো সেনা-সমর্থিত তত্তাবধায়ক সরকারের বিরুদ্ধে শাহ আলম মুরাদ কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে ২৫ লক্ষ গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে আইনি লড়াই চালিয়ে নেত্রীর মুক্তি আন্দোলনে বিজয় লাভ করেন। তার ভূমিকায় নেত্রী তাকে ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করেছেন ও ১৪ দলের সমন্বয়ক এর দায়িত্ব দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে কোনও দুর্নীতি চাঁদাবাজি সন্ত্রাসীর অভিযোগ নেই। তাই সে কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে জনপ্রিয়। আশা করা যায়, ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য সম্মেলনে শাহ আলম মুরাদকেই মনোনিত করা হবে ।

শাহে আলম মুরাদ স্কুল জীবন থেকে ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। তার বাবা মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সরকারি কর্মকতা ছিলেন। সেই সময় পাকিস্তানের অত্যাচার নির্যাতনের হাত থেকে গোবিন্দপুর হিজলা মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আর্দশের উজ্জ্বীবিত নেতা কর্মী ও সংখ্যালগু হিন্দুদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে সকল সময় কাজ করেছেন। অসহায় ও গেরিলা বাহিনীর লোকজনকে তার সামর্থ অনুযায়ী ধান চাউল নগদ টাকা দিয়ে সাহায্য করতেন। ১৯৭০/১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তাদের বাড়িতে ছিলো গেরিলা বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর আশ্রয় স্থান।

’৭৫ পরবর্তী সময়ে যখন কেউ ছাত্রলীগ করার সাহস পেত না। ঐ সময় তিনি ছাত্রলীগের নীতিনির্ধারক ছিলেন। এজন্য তাকে অনেকের রোষানলে পড়তে হয়েছে। হয়েছেন অনেক ষড়যন্ত্রের শিকার, হামলা, মামলা ছিল তার নিত্যদিনের সঙ্গী। এরপর আস্তে আস্তে রাজনীতির চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে তিনি অবিভক্ত ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি যখন মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তখন সারাদেশে এরশাদ বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। তিনি এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। এ সময় তিনি হামলার শিকার হন, আর মামলা ছিল নিত্যদিনের সঙ্গী। এরশাদ বিরোধী আন্দোলন করার জন্য তিনি বেশ কয়েকবার জেলও খেটেছেন।

এরপর কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাথে যুক্ত ছিলেন অনেকদিন। রাজপথে থেকে লড়াই-সংগ্রাম করেছেন। এরপর আস্তে আস্তে যোগ দেন আওয়ামী লীগের সাথে, রাজপথে লড়াই সংগ্রাম, ত্যাগ তিতিক্ষার পুরষ্কার স্বরূপ অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। দলের দুঃসময় বিশেষ করে ১/১১-এর সময় থেকে তিনি তখন রাজপথে সামনে থেকে লড়েছেন নেত্রী মুক্তি আন্দোলনে। ঢাকার জজ কোর্ট থেকে প্রথম যে মিছিল হয়েছিল, তিনি তার সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ফলে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার ১ নাম্বার আসামি ছিলেন তিনি। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ঢাকার ১৪দলের প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছেন।

কিছু অসাধু লোক সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ষড়যন্ত্রের সাথে যোগসাজশে লিপ্ত হয়ে আওয়ামী লীগের প্রধান অফিসে তালা ঝুলিয়ে ছিলো। কর্মীবান্ধব নেতা শাহ আলম মুরাদের নেতৃত্বে কর্মীরা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অফিসের তালা ভেঙ্গে দলীয় অফিস উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

সিলেটের সম্মেলনে কামরান-শফিক-আসাদের কান্না!

Admin  December 6, 2019

দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: সারাদেশে ধাপে ধাপে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতাদের হাতে সংশ্লিষ্ট ইউনিটের দায়িত্ব তুলে দিচ্ছে আওয়ামী লীগ। যদিও অনেক...

বিদেশী ঋণ বেসরকারি খাতে পরিশোধে নীতিমালা শিথিল

Admin  December 5, 2019

দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা : বেসরকারি উদ্যোক্তারা শিল্পের কাঁচামাল আমদানির জন্য বিদেশী ঋণ নিলে তিন মাস পর থেকেই ঋণের কিস্তি পরিশোধ...

বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে বিএসইসি পুন:অর্থায়নের তহবিল চেয়েছে

Admin  December 5, 2019

দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা : পুঁজিবাজারে তারল্য সংকট নিরসনে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি বাংলাদেশ ব্যাংককে পুন:অর্থায়নের তহবিল থেকে ৮৯ কোটি টাকা বিতরণের...

পুঁজিবাজার দীর্ঘ মন্দায় আগ্রহ হারাচ্ছে নারী বিনিয়োগকারীরা

Admin  December 5, 2019

দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা : দীর্ঘ অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য বাজারে বিনিয়োগে নারীরা আগ্রহ হারাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ব্যবসা বাণিজ্যসহ অন্যান্য...

৮ কোম্পানীর আয় হলেও বোনাস দিতে পারছে না

Admin  December 5, 2019

দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা : উদ্যোক্তা-পরিচালকদের ন্যূনতম শেয়ারধারণের বাধ্যবাধকতার প্রভাব পড়েছে কোম্পানির লভ্যাংশে। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছেন অনেক কোম্পানির বিনিয়োগকারীরা। উদ্যোক্তা-পরিচালকদের...

একটিভ ফাইনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ

Admin  December 4, 2019

এফ জাহান, দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি একটিভ ফাইন কেমিক্যালস লিমিটেডের বিরুদ্ধে শেয়ারহোল্ডারদের সঙ্গে...

জাহিন স্পিনিং শেয়ার নিয়ে কারসাজি!

Admin  December 4, 2019

দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি জাহিন স্পিনিংয়ের শেয়ার নিয়ে কারসাজির অভিযোগ তুলছেন বিনিয়োগকারীরা। অভিযুক্ত সিন্ডিকেটের কাছেই...

পুঁজিবাজারে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিলের রূপরেখা জমা

Admin  December 4, 2019

দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা : পুঁজিবাজারে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিলের রূপরেখা জমা দেওয়ার প্রস্তাব আরও একধাপ এগিয়েছে। বর্তমান পুঁজিবাজারের ত্রান্তিকালে...

মিরাকল ইন্ডাস্টিজের কারখানা বন্ধ নিয়ে লুকোচুরি!

Admin  December 4, 2019

মোবারক হোসেন, দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিবিধ খাতের কোম্পানি মিরাকল ইন্ডাস্টিজের কারখানা বন্ধ নিয়ে চলছে লুকোচুরি। গত দুই...