পৃথিবীর ভয়ঙ্কর যত মাফিয়া ডন

   May 29, 2020

দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: প্রায় পনেরো বছরের বেশি সময় এভাবে চলার পর ১৯৯৩ সালে নিজেই পুলিশের কাছে ধরা দেন রোসেটা কুটোলো ১৯৩৭ সালে জন্ম নেওয়া রোসেটা কুটোলো ইতালির কুখ্যাত নারী মাফিয়া। তার ভাই রাফায়েল কুটোলো ছিলেন অপরাধ জগতের বাদশা। তাই রোসেটা কুটোলোকে মাফিয়া সাম্রাজ্যের সিস্টার অফ রাফায়েল নামেও ডাকা হতো। অপরাধ জগতের সম্রাজ্ঞী রোসেটা ইতালিজুড়ে ছিল এক আতঙ্কের নাম।

অথচ প্রথম জীবনে খুব নিরীহ আর ধর্মভীরু ছিলেন রোসেটা। ফুল চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তার ভাই রাফায়েলের কারণে পরবর্তীকালে রোসেটা হয়ে ওঠেন ভয়ঙ্কর মাফিয়া। মাদক সম্রাট রাফায়েল জীবনের অধিকাংশ সময় জেলেই বন্দী ছিলেন। জেলবন্দী থাকায় ভাইয়ের মাদক চোরাচালান ব্যবসা চালিয়ে নিতে থাকেন রোসেটা। জেল থেকে ভাই রাফায়েলের নির্দেশনা অনুযায়ী অপরাধ জগতে এক ভয়ঙ্কর জাল বিস্তার করেন তিনি। পথের কাঁটাকে সরিয়ে দিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করতেন না রোসেটা।

যে নির্দেশ এবং পরামর্শ দিতেন তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতেন রোসেটা। মাদক ব্যবসার পাশাপাশি ফুলের চাষও অব্যাহত রেখেছিলেন তিনি। ফলে সহজেই পুলিশের চোখ এড়িয়ে যেতে সক্ষম হন তিনি। প্রায় পনেরো বছরের বেশি সময় এভাবে চলার পর ১৯৯৩ সালে নিজেই পুলিশের কাছে ধরা দেন রোসেটা কুটোলো।

আরও পড়ুন.......

ছয় ইস্যুতে ভারতের প্রতি চড়াও চীন 

ডাকঘর সঞ্চয় স্কিম বিনিয়োগ সীমা নামল এক-তৃতীয়াংশে 

দাউদ ইব্রাহিম: গ্লোবাল টেররিস্ট ঘোষণা করা হয়: বিশ্বের শীর্ষ ডনদের তালিকায় ভারতীয় উপমহাদেশের দাউদ ইব্রাহিম উপরের দিকেই থাকবেন। বলাই বাহুল্য, অবৈধ নানা উপায়ে তিনি প্রচুর সম্পদ গড়ে তোলেন। মুম্বাইয়ে ডি-কোম্পানি নামক সংগঠিত অপরাধচক্র ও সিন্ডিকেট প্রতিষ্ঠা করেন দাউদ ইব্রাহিম। যার মাধ্যমে ভারত, পাকিস্তান ও আরব আমিরাতে অপরাধের সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন এই ধনকুবের। এই ডি-কোম্পানির প্রায় ৫০০০-এর বেশি সক্রিয় সদস্য আছে বলে ধারণা করা হয়।

মুম্বাইয়ে ১৯৯৩ সালে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাগুলোর পেছনে দাউদ ইব্রাহিমের সংশ্লিষ্টতা থাকার অভিযোগ রয়েছে। ১৯৯৩ সাল থেকেই পলাতক আছেন ধনকুবের দাউদ ইব্রাহিম। যুক্তরাষ্ট্র তাকে ‘গ্লোবাল টেররিস্ট’ হিসেবে ঘোষণা দেয় এবং ২০০৩ সালে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা তার সম্পদ ক্রোক করার জন্য জাতিসংঘের কাছে প্রস্তাব দেয়। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মতে, ওসামা বিন লাদেনের সঙ্গে দাউদ ইব্রাহিমের যোগাযোগ ছিল। এ ছাড়াও ইন্টারপোল, মার্কিন ও রাশিয়ান নানা গোয়েন্দা সংস্থার মতে, ২০০৮ সালে মুম্বাইয়ের বোমা হামলাসহ আরও কয়েকটি বড় হামলার পেছনে দাউদ ইব্রাহিমের হাত ছিল। ২০১০ সালে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের সঙ্গে দাউদ ইব্রাহিমের যোগাযোগ আছে বলে অভিযোগ করে যুক্তরাষ্ট্র। অনেকের মতে, দাউদ ইব্রাহিম পাকিস্তানের করাচিতে কোথাও লুকিয়ে আছেন। কিন্তু এ কথা অস্বীকার করে আসছে পাকিস্তান।

সান্ড্রা আবিলা বেলট্রান: দ্য কুইন অব প্যাসিফিক

মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান এবং মানি লন্ডারিংসহ অনেক গুরুতর অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে

মেক্সিকোর মাদক সাম্রাজ্যে তাকে ডাকা হতো ‘দ্য কুইন অব দ্য প্যাসিফিক’। আসলেই অপরাধ জগতের অলিখিত রানী ছিলেন সান্ড্রা আবিলা বেলট্রান। গোটা মেক্সিকোতে গড়ে তোলেন এক বিশাল মাদক জগৎ। ক্রমেই দেশের সবচেয়ে ড্রাগ ডিলার আর গ্যাংস্টারদের প্রধান হয়ে ওঠেন তিনি। তার ইশারায় পরিচালিত হতে থাকে পুরো অপরাধ জগৎ। এক সময় আমেরিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে সান্ড্রা বেলট্রানের কালো হাত। এভাবেই সান্ড্রা একসময় বনে যান বিলিওনিয়ার। শুধু অপরাধ জগতের রানীই নন তিনি যৌবনে ছিলেন অসম্ভব সুন্দরী।

তার দুই চোখের সম্মোহনী জাদুতে কুপোকাত হতো সব বয়সী পুরুষ। রূপের জাদুতে বড় পুলিশ কর্মকর্তাদের হাতের মুঠোয় রাখতেন তিনি। দুবার বিয়ের পিঁড়িতে বসেন এই নারী। দুবারই বর হিসেবে বেছে নেন পুলিশ কর্মকর্তাকে। পরবর্তীকালে দুই স্বামীকেই ড্রাগ ব্যবসায় জড়িত করেছিলেন। আবার স্বার্থ উদ্ধারের পর দুই স্বামীকেই দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন। ২০০৭ সালে সান্ড্রাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান এবং মানি লন্ডারিংসহ অনেকগুলো গুরুতর অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন.......

কেরানীগঞ্জে ৭০ বছর বৃদ্ধাকে রাস্তায় ফেলে গেল সন্তান, বৃষ্টিতে ভিজলেন মা 

ক্যারিলো ফুয়েন্তেস

অপরাধ জগতের শীর্ষ নাম

তার মৃত্যুর কিছু দিন পর সার্জারিতে অংশ নেওয়া দুই চিকিৎসক অজ্ঞাত আততায়ীর হাতে খুন হন। আমাদো ক্যারিলো ফুয়েন্তেস ছিলেন অপরাধ জগতের শীর্ষ নাম। তার আনুমানিক সম্পত্তি ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বৃহত্তর মেক্সিকোর ড্রাগ সাম্রাজ্যের অধিপতি বনে যান আমাদো ক্যারিলো ফুয়েন্তেস। এর আগে তার বসকে হত্যা করে জুয়ারেজ কার্টেল দখল করে তার রাজত্ব শুরু করেন এই শীর্ষ অপরাধী। আইনের হাত থেকে বাঁচার জন্য প্লাস্টিক সার্জারিকে বেছে নিয়েছিলেন তিনি।

প্লাস্টিক সার্জারির মাধ্যমে চেহারা পরিবর্তনের জন্য আমাদো ক্যারিলো ফুয়েন্তেস বিখ্যাত ছিলেন। তার মালিকানাধীন ৭২৭টি বিমান ছিল। আকাশপথে বিস্তীর্ণ এই ড্রাগ বাণিজ্যের জন্য তাকে বলা হতো এল সিনর ডি লস সিয়েলো। সিনর ডি লস সিয়েলো অর্থ আকাশ সম্রাট বা আকাশ পালনকর্তা। জীবনের শেষ দিকে এসে এই মেক্সিকো এবং আমেরিকান কর্তৃপক্ষের নজরে আসে সিনর ডি লস সিয়েলো।

এই থেকে বাঁচার জন্য মেক্সিকো সিটির সান্তা হসপিটালে একটি জটিল প্লাস্টিক সার্জারির সময় মারা যান সিনর ডি লস সিয়েলো। তার মৃত্যুর কিছুদিন পর সার্জারিতে অংশ নেওয়া দুই চিকিৎসক অজ্ঞাত আততায়ীর হাতে খুন হন।

এল চ্যাপোকে

শীর্ষ তালিকাভুক্ত অপরাধী

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার অপরাধ জগতে প্রভাব বাড়তে থাকে। নিজেই তৈরি করে নেন নিজের কার্টেল। মেক্সিকোর গ্রামাঞ্চলে গরিবদের সহায়তা করার জন্য ধনকুবের এল চ্যাপোকে (পিচ্চি) বলা হয় ‘মেক্সিকোর রবিনহুড’। যুক্তরাষ্ট্র এবং মেক্সিকো দুই দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছেই এল চ্যাপো শীর্ষ তালিকাভুক্ত অপরাধী। ১৯৫৭ সালে গুয়াদালাজারা কার্টেলের সঙ্গে যুক্ত হন। তৎকালীন কার্টেলের প্রধান গডফাদার মিগুয়েল ফেলিক্স গাল্লারদোর সঙ্গে কাজ শুরু করেন।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার অপরাধ জগতে প্রভাব বাড়তে থাকে। নিজেই তৈরি করে নেন নিজের কার্টেল। ১৯৮০ সালে মেক্সিকো থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বিপুল পরিমাণ মাদকের চালান প্রবেশ করেছিল তার পেছনেও ছিলেন এই গুজম্যান। নিজের কার্টেল তৈরির পর অন্য কার্টেলদের কাছে তিনি হুমকি হয়ে দাঁড়ান এবং তাকে হত্যার চেষ্টাও হয়। ১৯৯৩ সালে মেক্সিকোর পুলিশের কাছে ধরা পড়লে তার ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২০০১ সালে কারাগার থেকে পালিয়ে যান। ২০১৫ সালের জুলাই মাসে সিনালোয়া রাজ্যে আবারও তিনি গ্রেফতার হন। এবার তাকে রাখা হয় মধ্য মেক্সিকোর আল্টিপ্ল্যানো কারাগারে। কিন্তু এখান থেকেও তিনি পালিয়ে যান। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে গ্রেফতার হয়ে জেলে রয়েছেন কুখ্যাত অপরাধী।

মারিয়া লিওন

বড় রাঘব-বোয়াল ছিল তার হাতে

ছেলের শেষকৃত্যে শামিল হতে গিয়ে ধরা পড়ে যান মারিয়া। আদালতে মারিয়ার ৮ বছরের সাজা হয়। মারিয়ার অনেক সদস্যই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে

লস অ্যাঞ্জেলেসের কুখ্যাত নারী মাফিয়া প্রধান মারিয়া লিওন। লস অ্যাঞ্জেলেসে সংঘটিত সব অবৈধ কার্যক্রম আর অপরাধ জগতের কর্তৃত্ব তার হাতে। ব্যক্তিজীবনে ১৩ সন্তানের জননী মারিয়া লিওন। মাদক চোরাচালান থেকে শুরু করে কন্টাক্ট কিলিং, মানবপাচার, অপহরণ- এক কথায় সব ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত তার দল। এই নারী ছিলেন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার ধরাছোঁয়ার বাইরে। বড় রাঘব-বোয়াল ব্যবসায়ীরাও তাকে নিয়মিত মাসিক হারে মোটা অঙ্কের চাঁদা পাঠাতে বাধ্য হতো।

এরই মধ্যে ২০০৮ সালে লস অ্যাঞ্জেলেসে পুলিশের গুলিতে মারিয়ার ছেলে ড্যানি নিহত হয়। ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েন তিনি। এদিকে প্রশাসনও উঠে-পড়ে লাগে মারিয়া লিওনকে অ্যারেস্ট করার জন্য। লস অ্যাঞ্জেলেসে থাকা মারিয়ার কাছে আর নিরাপদ মনে হচ্ছিল না তখন। গা-ঢাকা দেওয়ার জন্য চলে আসেন মেক্সিকোতে। কিন্তু ছেলের শেষকৃত্যে শামিল হতে গিয়ে ধরা পড়ে যান মারিয়া। আদালতে মারিয়ার আট বছরের সাজা হয়। মারিয়ার অনেক সদস্যই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে।

আল কাপোনে

বডিগার্ড থেকে মাফিয়া সম্রাট

গ্যাংস্টার সাম্রাজ্যে আল কাপোনে ছিলেন ব্যাপক আলোচিত। ইতিহাস বলছে সবচেয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন এই ধনকুবের। সমাজসেবায় প্রচুর অর্থসম্পদ খরচ করেন আল কাপোনে। ফলে সাধারণ গরিব মানুষের চোখে তিনি ছিলেন রবিনহুডের মতো। কিন্তু তার উপার্জনের প্রক্রিয়া সঠিক ছিল না। অবৈধ নানা উপায়ে অর্থ উপার্জন করে বিলিয়নিয়ার বনে যান আল কাপোনে। ১৯২০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রে ‘শিকাগো আউটফিট’ নামে গ্যাং গড়ে তোলেন। এর আগে মাত্র বিশ বছর বয়সে কাপোনে শিকাগোর মাফিয়া বস জনি টরিওরের বডিগার্ড হন।

তার আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন দ্রুত। এরপর টরিও অবসর নিলে কাপোনে হয়ে যান গ্যাংয়ের প্রধান। অবৈধ ব্যবসা চালানোর জন্য যা যা করতে হয় সবই করেছেন তিনি। এর জন্য তাকে হতে হয়েছে চরম নিষ্ঠুর। শহরের মেয়র ও পুলিশকে হাত করে নির্বিঘ্নে অপরাধের মাত্রা বাড়িয়ে চলছিলেন আল কাপোনে। চোরাচালান, জুয়া, পতিতালয় চালানোর মতো অনেক অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করতেন কাপোনে। এত এত অপরাধে জড়িত থাকার পরও আল কাপোনের জেল হয়েছিল ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার অপরাধে। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

গ্রিসেল্ডা ব্ল্যাংকো

তাকে বলা হয় কোকেন গডমাদার

কলোম্বিয়ান এক সরবরাহকারীর ভাতিজিকে খুন করার পর মেডেলিন কার্টেলের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন তিনি। ১৯৮৫ সালে পুলিশের কাছে একবার ধরা পড়লেও ২০০৪ সালে ছাড়া পেয়ে যান তিনি

শীর্ষ ধনী চোরাচালানকারীর তালিকায় থাকা নারী ক্রিমিনাল গ্রিসেল্ডা ব্ল্যাংকো। তাকে বলা হয় কোকেন গডমাদার। আবার দ্য ব্ল্যাংক উইডো তথা কালো বিধবা নামেও পরিচিত তিনি। আশির দশকে প্রতি মাসে তার আয় ছিল ৮০ মিলিয়ন ডলার। তিনি কুখ্যাত হয়ে আছেন খুনের নেশার কারণে। ১১ বছর বয়সে প্রথম তিনি একটি ছেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করেন।

চাহিদা পূরণ না হওয়ায় খুন করেন ছেলেটিকে। পুরো জীবনে গ্রিসেল্ডার হাতে খুন হয়েছে মোট ২০০ মানুষ। একবার কলোম্বিয়ান এক সরবরাহকারীর ভাতিজিকে খুন করার পর মেডেলিন কার্টেলের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন তিনি। ১৯৮৫ সালে পুলিশের কাছে একবার ধরা পড়লেও ২০০৪ সালে ছাড়া পেয়ে যান তিনি। ২০১২ সালে আততায়ীর গুলিতে নিহত হন এই মহিলা ধনকুবের ডন। সুত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

বিল গেটসকে হটিয়ে দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক

Admin  November 24, 2020

দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: মহাকাশ পরিবহন ব্যবসায় বাজিমাত করেছেন ইলন মাস্ক। হু হু করে বেড়েছে বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার শেয়ারদর। এই...

এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের আইপিও অনুমোদন দিয়েছে বিএসইসি

Admin  November 18, 2020

দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ...

ভ্যাকসিনের খবরে বিশ্ব পুঁজিবাজার চাঙ্গা

Admin  November 16, 2020

দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: ভ্যাকসিন কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ফাইজার ও বায়োএনটেক কোম্পানি জানিয়েছে তাদের উদ্ভাবিত ৯০ শতাংশ সাফল্য দেখিয়েছে। আর এই খবর...

যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ৬ চিকিৎসক

Admin  November 14, 2020

দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডা. খালেদ শওকত আলী। এছাড়াও কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পেয়েছেন আরও ৫ জন...

যুবলীগের ২০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

Admin  November 14, 2020

দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা:  যুবলীগের ২০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার ( ১৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় যুবলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা...

‘ওয়ালটন-ডিআরইউ ক্রীড়া উৎসব’ বৃহস্পতিবার শুরু

Admin  November 11, 2020

দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: দেশের অন্যতম ক্রীড়াবান্ধব প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে আগামীকাল বৃহস্পতিবার দাবা ইভেন্ট দিয়ে শুরু...

কোভিডের দ্বিতীয় ধাক্কা আসছে

Admin  November 8, 2020

অধ্যাপক ডাঃ মামুন আল মাহতাব (স্বপ্নীল): করোনা নিয়ে আমাদের সাম্প্রতিক আলোচনায় সবকিছু ছাপিয়ে কোভিডের দ্বিতীয় ওয়েভের প্রসঙ্গ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা...

একজন অধ্যাপক উত্তম কুমার বড়ুয়া আর একটি প্রশ্ন

Admin  November 8, 2020

ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল: সম্ভবত ১৯৯৩ সালের কথা। শীতের কোন একটি বিকেল, বছরের এমনি সময়টাতেই হবে বোধ করি। সারা...

করোনামুক্ত হলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

Admin  October 25, 2020

দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মুক্ত হলেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। মন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব...