দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: সপ্তাহজুড়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক বেড়েছে ৩০ পয়েন্ট। সূচকের এমন উত্থানেও বাজারকে টেনে ধরার সর্বোচ্চ চেষ্টায় ছিলো পাঁচ কোম্পানি। এই পাঁচ কোম্পানির দায়ে গেলো সপ্তাহে ডিএসইর সূচক কমেছে প্রায় ২১ পয়েন্ট। যা মোট উত্থানের ৬৮ শতাংশ। গেলো সপ্তাহে সূচককে টেনে নামানোর সর্বোচ্চ দায়ে থাকা এই পাঁচ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে ডেল্টা লাইফ, ব্রিটিশ আমেরিকান ট্যোবাকো, আইএফআইসি ব্যাংক, ওরিয়ন ফার্মা এবং বেক্সিমকো লিমিটেড। ইবিএল সিকিউরিটিজ সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।



জানা গেছে, গেলো সপ্তাহে সূচককে টেনে নামানোর সর্বোচ্চ চেষ্টায় ছিলো ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। গেলো সপ্তাহে সূচককে টেনে নামানোর চেষ্টায় কোম্পানিটির দায় ছিলো ৮.৮০ পয়েন্ট। সর্বশেষ কোম্পানিটির ক্লোজিং প্রাইস হয়েছে ১৮৬ টাকা ৩০ পয়সায়। সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর কমেছে ২৬ টাকা ১০ পয়সা। সপ্তাহের প্রথমে কোম্পানিটির ওপেনিং প্রাইস ছিলো ২১২ টাকা ৪০ পয়সায়।

ডিএসইর সূচক টে‌নে নামা‌নো‌র চেষ্টায় দ্বিতীয় কোম্পানি ছিল ব্রিটিশ আমেরিকান ট্যোবাকো বাংলাদেশ লিমিটেড। গেলো সপ্তাহে কোম্পানিটির সূচক টেনে নামানোর চেষ্টায় দায় ছিল ৩.৫০ পয়েন্ট। সর্বশেষ কোম্পানিটির ক্লোজিং প্রাইস হয়েছে ৬৪৯ টাকা ৬০ পয়সায়। সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর কমেছে ৫ টাকা ৯০ পয়সা। সপ্তাহের প্রথমে কোম্পানিটির ওপেনিং প্রাইস ছিলো ৬৫৫ টাকা ৫০ পয়সা।

ডিএসইর সূচক টে‌নে নামা‌নো‌র চেষ্টায় তৃতীয় কোম্পানি ছিল আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড। গেলো সপ্তাহে কোম্পানিটির সূচক টেনে নামানোর চেষ্টায় দায় ছিল ৩.৪০ পয়েন্ট। সর্বশেষ কোম্পানিটির ক্লোজিং প্রাইস হয়েছে ১৭ টাকা ৬০ পয়সায়। সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর কমেছে ৮০ পয়সা। সপ্তাহের প্রথমে কোম্পানিটির ওপেনিং প্রাইস ছিলো ১৮ টাকা ৪০ পয়সা।

ডিএসইর সূচক টে‌নে নামা‌নো‌র চেষ্টায় ৪র্থ কোম্পানি ছিল ওরিয়ন ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড। গেলো সপ্তাহে কোম্পানিটির সূচক টেনে নামানোর চেষ্টায় দায় ছিল ২.৫০ পয়েন্ট। সর্বশেষ কোম্পানিটির ক্লোজিং প্রাইস হয়েছে ৯৭ টাকায়। সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর কমেছে ৩ টাকা ৮০ পয়সা। সপ্তাহের প্রথমে ব্যাংকটির ওপেনিং প্রাইস ছিলো ১০০ টাকা ৮০ পয়সা।

ডিএসইর সূচক টে‌নে নামা‌নো‌র চেষ্টায় ৫ম কোম্পানি ছিল বেক্সিমকো লিমিটেড। গেলো সপ্তাহে কোম্পানিটির সূচক টেনে নামানোর চেষ্টায় দায় ছিল ২.২০ পয়েন্ট। সর্বশেষ কোম্পানিটির ক্লোজিং প্রাইস হয়েছে ১৪৯ টাকায়। সপ্তাহের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ার দর কমেছে ৯০ পয়সা। সপ্তাহের প্রথমে কোম্পানিটির ওপেনিং প্রাইস ছিলো ১৪৯ টাকা ৯০ পয়সা।

সূচক টেনে নামানোর চেষ্টায় শীর্ষ উঠে আসা এই পাঁচ কোম্পানির দায়ে গেলো সপ্তাহে ডিএসইর সূচক উত্থান ঠেকেছে ২০.৪০ পয়েন্ট। যা মোট উত্থানের ৬৮ শতাংশ। গেলো সপ্তাহে ডিএসইর মোট উত্থান হয়েছে ৩০ পয়েন্ট।