মোঃ রউফ কয়রা, খুলনা : উপকূলীয় এলাকা কয়রায় গোপালগঞ্জ জেলায় বিএআরআই এর কৃষি গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন ও দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের পরিবেশ-প্রতিবেশ উপযোগী গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করনের মাধ্যমে কৃষির উন্নয়ন প্রকল্প উদ্ভাবিত বারি ১ ও ২ তরমুজের উপর মাঠ দিবস পালন করা হয়েছে।



বুধবার বিকাল ৪ টায় উপজেলার আমাদী ইউনিয়নে চন্ডিপুর গ্রামে সরাসরি কৃষকের মাঠে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট সরেজমিন গবেষণা বিভাগের আয়োজনে এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। মাঠ দিবসে সভাপতিত্ব করেন কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রকল্প পরিচালক ড. এম.এম কামরুজ্জামান।

সরেজমিন গবেষণা বিভাগের বৈজ্ঞানিক সহকারি জাহিদ হাসানের পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ এসএম শফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনার প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও উপ-প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ হারুনর রশিদ, উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ কামরুল ইসলাম ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাশফিকুর রহমান।

আলোচনায় আরও বক্তব্য রাখেন উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা নাইমুর রহমান, রাজু হোসেন, কৃষক লীগের সদস্য সচিব শাহিনুর রহমান, কৃষক জোবায়ের হোসেন, জামাল হোসেন প্রমুখ। মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি শফিকুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কৃষকদের বীজ, সার ও সরেজমিনে পরামর্শ দিয়ে কয়রা উপজেলার গো, চারণ মাঠকে সবুজে সমারোহ করে তুলেছেন।

মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রকল্প পরিচালক ড. এমএম কামরুজ্জামান বলেন, বারি তরমুজ ১ ও ২ তরমুজ দেশীয় আবহাওয়া উপযোগী এসব তরমুজ সারা বছরই চাষ করা যাবে। দেশেই বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ করা যাবে এ জাত দুটির। একটি জাতের তরমুজের ভেতর হবে হলুদ অন্যটি লাল। ড. হারুনর রশিদ বলেন, আমাদের দেশে মৌসুমী তরমুজ চাষ হয় ফেব্রুয়ারি মাসে। এর ৮০-৯০ দিনের মধ্যে তরমুজ খাবারের উপযোগী হয়। এ জাতটি যখন অবমুক্ত হবে তখন কৃষক লাভবান হবে। কারন এটি একটি শতভাগ নিজস্ব আবহাওয়া উপযোগী জাত।